benGAYliz / benGAYliz timez / Bengali Section / BDTravel / Information / Contact Us benGAYliz-Bangladesh "সমকাম নিয়ে কিছু কথা, যেন একটা কথা-পরম্পরার সূচনা হয়; সবাইকে আমন্ত্রণ..." - প্রদিপ রয় অনেক্ষণ গুতাগুতির পর, নোট লেখার সুযোগ পাইলাম, এতো বাজে নেট কানেকশন নিয়া আমার মতো স্লো স্বভাবের মানুষই নেট ব্যবহারের দুঃসাহস করতে পারে। কিন্তু কী এমন জরুরী কথা লেখার আছে এখানে? নোট পড়ার ধৈর্য্য এখানে আমার ভারচুয়াল বন্ধুদের মাঝে কতজনেরই বা আছে। এখানে প্রায় সবারই দাবি তারা সমকামি, তাদের মনে দুঃখ, সকলেই সমমনা বন্ধু খোঁজার লক্ষে এখানে জড়ো হয়েছে, কারোবা যৌন সঙ্গী প্রয়োজন, কেউ কেউ হুদাও একটা আকাওন্ট খুলেছে, প্রত্যেকের হয়তো কোনোনা কোনো প্রয়োজনকে মিটায় বলেই তারা এখানে আসে।আমার দুর্ভাগ্য আমার প্রয়োজন এখানে মিটে না, এবং এই দুঃখের কথাটা যে কাউকে জানাবো তারও উপায় নেই, কারণ এখানে কারো সাথেই আমার যোগাযোগ তৈরী হলো না। হয়তো দোষটা আমারই। কিন্তু কেউ যদি সত্যই সমকামি হয়ে থাকে তবে তার যৌন চাহিদা ছাড়াও আরো বিনিময়ের তাড়না তার অনুভব করা স্বাভাবিক। আশ্চর্য্য লাগে, তারা কী আত্ম পরিচয়ের সংকটে ভোগে না, তাদের ইচ্ছা করে না এই প্রবৃত্তিটাকে বিশ্লেষণ করতে? কেন কিছু মানুষ আজীবন এই বেদনা বহন করে বেড়াবে যদি এর প্রতিকূলে সামাজিক নিষধ বৈধ হয়। একবার একজন সমকামির সাথে আমার আলাপ হয়েছিল- তাকে জিজ্ঞিসা করেছিলাম এই ঝোঁক কী তার মনে অপরাধ বোধের জন্ম দেয়? সমাজে এ নিয়ে যে নিষেধাজ্ঞা সেটা কী তার কাছে ঠিক মনে হয়, সে উত্তর দিয়েছিল, যেটাকে যেভাবে দেখা উচিত সেভাবেই দেখতে হবে, কীভাবে দেখা উচিত? - It is harmful for man kind. এই ছিল তার উত্তর। তাহলে যেটা সমাজের জন্য, মানুষের জন্য, সর্বোপরি নিজের জন্য ক্ষতিকর, আমরা কেন তার চর্চা করবো? এইজন্য, যে আমরা আমাদের প্রবণতাকে বশে রাখতে পারি না? তাহলে চির হীনমন্যতা নিয়ে সমাজের সাথে- নিজের সাথে লুকোচুরি খেলা খেলে যাওয়া এটাই তাহলে স্বাভাবিক, যেখানে দেশের আইনও এই আচরণকে নিষিদ্ধ করে রেখেছে? এটাই যদি একমাত্র অবিকল্প হয় তাহলে ফেইসবুকে আমাদের জড়ো হতে পারার সুযোগটার কী মানে দাঁড়ায়? শুধু চাটুল পরিহাস আর, টপ বটমের হিসাব নিকাশ আর গতরের মাপজোক, পেনিসের দৈর্ঘ্যের উল্লাস- অর্থাৎ কেনাবেচার এক ভারচুয়াল হাট বা বেশ্যালয় ছাড়া এই যোগাযোগকে আর কি বলা যায়? আমাদের গভীর বেদনাগলো কী অন্ডকোষে হামায়া গেছে? আমাদের এতো জরুরি একটা বিষয় নিয়ে আমরা কি ভাববো না, সেই ভাবনা সমগোত্রের মানুষের কাছে প্রকাশ করবো না, আমরা আমাদের এই স্বভাবের পেছনে যুক্তির সন্ধান করবো না? আমরা খতিয়ে দেখবোনা নিষেধ গুলান বৈধ কিনা? যদি সমাজের ডরে বা মনের বিপন্নতায় নিজেদের এর থেকে বিরত রাখি, তাহলে আমাদের দেহ-মনের স্বাভাবিকতা কি বজায় থাকে? যদি থাকে, যদি তাকে এড়ানো সম্ভব হয় তাহলে সাধারন বিবেচনায় এই অভ্যাস ত্যাগ করাই উচিত আমাদের, কিন্তু আপনারা নিজের মনকে প্রশ্ন করে দেখেন তা আদৌ সম্ভব কিনা!? ইতিহাসের সাক্ষ্য আছে, প্রাণী জগতের সাক্ষ্য আছে, সমকাম কোনো উটকো ব্যাপার নয় মানব চরিত্রের, যে ভাগ বললেই ভেগে যাবে; সবসময় তা ছিল, কোনো পবিত্র বিধান বা নিপীড়ন মানুষের সমলিঙ্গ-প্রীতিকে উচ্ছেদ করতে পারেনি; ফলে এহেন একটা স্বাভাবিক বিষয়কে আমরা যে লুকাতে বাধ্য হচ্ছি সেটাইতো অস্বাভাবিক। নাকি? তাই বলে আগামী কাল থেকে আমাদের বাবা , মা, ভাই, বোন, পরিজন ও বন্ধু-বান্ধবদের নিশ্চয় বলে বেড়াব না যে- দেখ, আমি সমকামি- এটাই আমার স্বাভাবিক, স্বতঃস্ফুর্ত পরিচয়; কেননা প্রথমত আমাদের সমাজ এই কথা শুনতে প্রস্তুত নয়, সে ভীষণ ভয়ানক কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে; দ্বিতীয়ত সমকাম প্রকৃতির এমন কোনো অজ্ঞাত রহস্যকে ধারন করে যা বৈশ্বিকভাবে সমাধানহীন এখনো। নারী- পুরুষের চলতি সম্পর্ককে চ্যালেঞ্জ করে সমকাম; যে পুরুষ তার ভিতরে নারী ও পুরুষ উভয়ের সত্তাকে উপলব্ধি করতে পারে, সে বিশেষ কেউ; কেন লিওনার্দো তাঁর অন্তরস্থিত নারী সত্তাকে প্রকাশের তাড়নায় 'মোনালিসাকে' আঁকলেন, যিনি বলেছিলেন যাহার মাঝে নারী ও পুরুষ উভয় সত্তার বিকাশ না ঘটে, তার আত্মা আলোকিত হতে পারেনি; কিছু প্রাচীন গোত্রে হিঁজড়াদের প্রধান পুরোহিত বা 'শামান'র মর্যাদা দেওয়া হতো, কেন? নিঃসন্দেহে বর্তমান পৃথীবিতে বহুত রকমের সমকামি আছে, সকলেই নিপীড়িত এমন নয়, কেউ কেউ নিপীড়নকাড়ীও; একজন কঠোর পুরুষ ও বিনম্র নারীর যে বিন্যাসকে আস্কারা দেয় বিশ্ব সমাজ, সেখানে সমকাম অস্বস্থিকর ভাইরাসের মতো, যার ক্ষমতা আছে এই সিস্টেমকে ব্রেক করার; আমি নিজের ভিতরে এই শক্তি টের পাই। বলছি না এখনি সমকামিরা সকলে এই সুক্ষ মর্যাদায় নিজেদের দেখতে পারবেন, কিন্তু তাই বলে সমকাম তো পর্ণোগ্রাফির সাথে একাকার কোনো বিষয় নয়; প্রেমের মাঝে যে সুন্দর আর পবিত্রতার ভাব থাকে তাতে কি সমকামিদের ভাগ নেই, এতই পতিত আমরা? ফেইসবুকে আমার ভারচুয়াল বন্ধুদের মাঝে কেউ কী তার পুরুষ প্রেমিককে মজনুর মত সর্বস্ব নিবেদন করে ভালোবাসেনি, সেই প্রেমের অভিনব জ্বালা যা শেয়ার করার কোনো সঙ্গীও সে পায়নি, সেই সংকট কি ফালতু ভাবপ্রবণতা, যা তার সমস্ত জীবনকে পঙ্গু করে দেয়, এই প্রেমার মর্যাদা ও মুল্য নিয়ে কি বিষমকামিরা ভাববে আর আমরা অপরাধবোধ ও অবক্ষয়ে ভেসে যাবো? উপরন্তু, শরীরের তৃষ্ণা- তার স্বাস্থবান দাবি তো আছেই, সেটা উপেক্ষা করে আমরা কি সুস্থ থাকতে পারি? সেই দাবি মেটাতে আমরা বাধ্য হই বিষমকামি বা উভকামিদের প্রায় উপপত্নির ভূমিকা নিতে, কখনো তাদেরকেও ভালোবেসে ফেলি, সেই কষ্ট আরো মর্মান্তিক, কারণ, ওরা কখনো এই ভালবাশাকে মুল্য দিতে সক্ষম নয়, ব্যতিক্রম থাকতে পারে, কিন্তু সমকামিদের আবেগ বিষমকামি বা চতুর উভকামিরা বুঝবে কী করে- শরীর ও মনকে আলাদা করে নিয়ে তারা জীবন পরিচালনা করতে পারে; অনেকক্ষেত্রে তা স্বাস্থকর ঠিক, কিন্তু তারাও তাদের মনের পবিত্রতার জন্য একটা স্থাণ সংরক্ষিত রাখে যা তারা সমকামি সঙ্গিদের সাথে প্রায়ই শেয়ার করে না; আমার একজন উভকামি বন্ধু আছে, তিনি যাতে আহত না হোন- তিনি তার গোপনীয়তা সহ যথেষ্ট মধুর, কিন্তু আমি জানি তার প্রতি আমার যে আবেগ সেটা নিয়ে তার সাথে পরিপূর্ণ রাসলীলা সম্ভব নহে, তিনি সব ক্ষেত্রে সায় দিতে পারেন না, এটা তার দোষ নয়, তার সীমাবদ্ধতা; এরকম সীমাবদ্ধতা সমকামিদেরো আছে, রুপান্তরকামিদের ক্ষেত্রে- রুপান্তরকামিরা হলেন পুরুষ দেহে নারী অবতার, সমকামিরা যেন প্রায় জৈবিক কারণে তাদের সয্য করতে পারেন না, যদিও কখনো তাদের সাথে যৌনতার খেলায় মেতে উঠে, সেটা সাময়িক; সেদিক থেকে দেখলে রুপান্তরকামিদের সংকট আরো ভয়ানক, তাদের নিঃসঙ্গতার তুলনা হয় না; হিঁজড়ারা যেমন- কার এতো দুঃসাহস তাদের বেদনার পরিমাপ করবে! আমি পারবো না; তবে এইটুকু বলে রাখা যায়-- সমকামি, রুপান্তরকামি, হিজড়া, উভকামি তাদেরকে যদি সামাজিকভাবে মর্যাদাপুর্ণ স্থাণ দিতে হয় তাহলে নারী-পুরুষের চলতি সম্পর্ক বিন্যাসে কুলাবে না, ভাঙতে হবে............ সমকামি আবেগ আমার মনে একটা সৌন্দর্য্যবোধকে নাড়া দেয়, সভ্যতাকে এর মূল্য বুঝতে হবে, নাহলে সেই সভ্যতা অসভ্য; সমকামি বানিয়ে সৃষ্টি করার জন্য বিধাতাকে বা সমকামিতাকে স্বীকৃতি না দেওয়ার জন্য সভ্যতাকে গাল পাড়ার আগে নিজেদের মনে উঁকি দিয়ে দেখি, সেখানে আমরা নিজেদেরকে কি ভাবি- সেখানে নিঃসন্দেহে যে আত্ম-পরিচয়ের সংকট, বিপন্ন অভিমান, বিষণ্ণতা, গ্লানি, গলা পর্যন্ত চলে আসা কান্না......। এইসব উত্রিয়ে সন্মানের সাথে বাচিবার স্পৃহা......। এসবকিছু নিয়ে আমাদের মাঝে একটা কথা বিনিময়ের সূচনা হতে পারে, যে কেউ এই লেখাখান পড়বেন তিনি যেন কিছু যোগ করেন, যেভাবে আমাদের একটা সন্মিলিত চিন্তা ও অনুভব বিনিময়ের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে...... যদি এজন্য আলাদা গ্রুপ খোলার প্রয়োজন পড়ে, তাও করা যেতে পারে...... আরো অনেক কথা বলার আছে, যদি আমার কথাগুলো আপনাদের কাছে প্রয়োজনিয় মনে হয় তাহলে পরে আবার কথা হবে, আর যদি আমাদের সমস্যার সাথে অপ্রাসঙ্গিক চাপাবাজি বলে মনে হয় তাহলে ফেসবুক থেকেই বিদায় হব, কারণ, তাহলে এখানে আমার নিজের আর প্রয়োজন থাকবে না, অন্য কোথাও আমি আমার চিন্তা ও আবেগের কাহিনী মেলে দিব, আমি জানি একজন সমকামি হওয়ার কারণে নিজেকে বুঝা ও প্রকৃতি, সমাজ ব্যবস্থা, বিধান, সম্পর্ককাঠামোর মাঝে নিজের পরিচয়কে চিহ্নিত করা আমার ও আমাদের জন্য কতোটা জরুরি..... বিখ্যাত্ব ব্যাক্তিত্বদের অবদান ও সমকামি হও্যয়ার লরাই ২০০৯ জুলাই ২, দিল্লি হাইকোরট সেকশান ৩৭৭ তুলে নিয়ে, ইন্ডিয়ার/ভারতের সমকামিদের স্বাধীন স্ক্রিতি দেয়। ১৮৭০ সালে কারল- হেন্রিক উলরিচস(Karl-Henrich Ulrichs) বলেন "The Urning(সমকামি)ও একজন মানুষ। প্রকরিতি তাকে সমকামি বানিয়ে পাঠিয়েছে ঠিকই, কিন্তু আর দশ জনের মতো সেও একজন নাগিরিক এবং একজন নাগরিক হিসেবে তারও দাবি আছে"। হেন্রিক উলরিচস ১৪ বছর বয়সে সেক্স করেন, এবং সমকামি হওয়ার কারনে তাকে তার কাজ থেকে বের করে দেয়া হয়। ১৮৯০ সালে উইলেম ভন গ্লোইডেন (Wilhelm von Gloden) প্রথম সমকামি ছবি তোলতে শুরু করেন। যা ছিলো সিসিলিয়ান ছেলেদের পরিধান বিহিন ছবি। ১৮৯৫ সালে মে মাসের ২৫ তারিকে বিস্ববিখ্যাত্ব লেখক অস্কার ওয়াইল্ড আদালতে বিচারের মাধ্যমে (মেইল প্রস্টিটিউটদের সাথে বেআইনী সমপরক থাকার কারনে)দোষি প্রমান হন, এবং দুবছর, কঠিন মজুরির সাথে কারাদন্ড করা হয়। আলোরণ তৈরি করেন ইউরোপে এবং বিশ্বের সকল ইংলিশ ভাশিদের মধ্যে। তবে লন্ডন বাসিদের কাছ থেকে সহানোভুতি পেয়েছিলেন খুবই কম। শুধু এখানেই শেষ হয়নি, এ ঘটনার জের ধরে তাকে জেলের ভেতরে অনেক অপমান এবং পরে বাইরে এসেও তিনি অনেক কস্ট সহ্য করেছেন। জেলে থাকা কালিন সময়ে, একটা লোক লেখককে চিনতে পেরে তার কাছে এসে তার মুখে থুথু ফেলে। এ ঘটনা তাকে মানুষিক ভাবে খুবী আগাত করে। জেল থেকে বেরোনোর পরও তিনি প্রতিদিন ঠিক ঐ সময়টাম কাদতেন। ১৮৯৬ সালে এডলফ ব্রান্ড (Adolf Brand), ডের ইজিইন (Der Eigene) নামে একটা মেগাজিন পাবলিস করেন। যাতে থাকত সুদরশন পুরুশদের পরিধান বিহিন ছবি। তার একটা সোসাল গ্রুপও ছিলো, যেখানে মাঝে মাঝে naturism ও হতো। ম্যাগাজিনটি পাবলিস হয়েছিলো ১৯৩২ সাল পরযন্ত, যখন নাজ্জিরা ম্যাগাজিনটা বন্দ করে দেয়। ১৮৯৭ সালের ১৭ই মে, অস্কার ওয়াইল্ড জেল থেকে রেহাই পান- তিনি ইংলেন্ড পরিত্যাগ করেন চিরদিনের জন্য এবং আর কখনও ফেরেননি। ১৭০০ সালে মরার আগ পরযন্ত তিনি কন্টিনেন্টাল ইউরোপে ফ্রেনচ এবং ইটালিয়ান ছেলে সংগিদের সাথেই কাটান। এসময়েই জারমানিতে শুরু হয় আদুনিক জুগের সমকামি নাগরিক্ত্বের দাবি। যদিও লন্ডনের মতো জারমানিতেও সমকামিতা তখনও বেআইনি ছিলো, জারমানি সমকামিদের প্রটেস্ট করতে দেয়া হতো এবং সমকামি বা একি লিঙ্গের দুজন মানুষের মধ্যে ভালোবাসা সম্ভব এ ব্যাপারে লেখা লেখি করতে দেয়া হতো। ১৮৯৭ ব্রিটিস সেস্কোলোজিস্ট হেভলক এলিস(Havelock Ellis) প্রথমে লিখেছিলেন, সমকামি কোন গুনাহ নয় বা বেমারও নয়। ১৮৯১ সালে ইংরেজি ভাষার মধ্যে John Addington Symonds প্রথমে "Homosexual" বা "সমকামি" শব্দটা ব্যাবহার করেন তার লিখা রচনায় A problem in Modern Ethics. ১৯৫৭ সালে বায়োগ্রাফির মাধ্যমে জানা যায়, যে হৃদয় কাপানো কবি Byron, শুধু মহিলাদের সাথেই নয় পুরুষদের সাথেও তার প্রণয় হয়েছিলো হ্যরো ও কেম্ব্রিজে এবং পরে ইটালিতে ও গ্রিসে। যা তিনি তার স্ত্রি Lady Caroline Lamb এর কাছে গোপন করেননি। যার জন্য তিনি স্বামির ব্যাপারে বলতেন "mad, bad and dangerous to know" |
benGAYliz / benGAYliz timez / Bengali Section / BDTravel / Information / Contact Us benGAYliz-Bangladesh | বাংলা সেকশানে রয়েছে সমকামি বিষয়ক তথ্য স্বাহ্ব্য বিষয়ক তথ্য গল্প ভ্রমন রেসিপি বিখ্যাত্ব ব্যাক্তিত্বদের অবদান ও সমকামি হও্যয়ার লরাই |
সমকামি বিশয়ের ওয়পরর দুটি কথা সমকামি হওয়া কোন রোগ বা ব্যাধি নয়। সমকামি ছেলে মেয়েরাও আর দশজনের মত মানুষ এবং স্বাভাবিক। আপনি যদি সমকামি হন তাহলে আপনাকে শুভেচ্চা, কারণ আপণি খুবি ভাগ্যবান। সমকামিরা সাধারনত খুবি চালাক প্রক্রিতির হয় এবং তাদের অনেক রকম বিশেষ বিশেষ প্রতিভা বা গুনাবলি থেকে থাকে। এরা বেশিরভাগেই নিজেদের ভবিশ্ব্ত নিজেরাই নিরধারণ করে থাকে, এবং জীবনে খুবি প্রতিশটিতশীল হয়ে থাকে। আর আপনি যদি সমকামি না হয়ে থাকেন, তাহলে এদের বুঝতে চেষ্টা করেন। কারণ এদের সুন্দর আচার আচরণ এবং প্রতিভায় আপণি নিজেও প্রভাবিত হতে পারেন। যা নিয়ে আসতে পারে বৈচিত্রময় পরিবরতন আপনার নিজের জিবনেও। একটা সময় ছিলো যখন শিক্ষা ও দিক্ষার অভাবে মানুষ সমকামিদের বুজতে পারেনি। এটা একটা রোগ ভেবে পৈচাশিক আচরণ করেছে সমকামিদের সাথে। কিন্তু বিংশ শতাব্দিতে এসে, মানুষ বিজ্ঞান এবং প্রজুগত্বির সাহাজ্যে অনেক পথ এগিয়ে এসেছে। বুজতে শিখেছে সমকামি হওয়াটা আসলে দোশের নয়, এটা প্রক্রিতিরই একটা দান। শিক্ষিত্ব সমাজের প্রায় সব দেশগুলোতেই, সমকামিদের, দেশের অন্ন্যান্যনাগরিকদেরমত সমান সমান অধিকার দেওয়া হচ্ছে। ইতিহাসের পাতা খুজলে দেখা যায়, বিশ্বের সব বিখ্যাত্ব খ্যাত্যিমান ব্যাক্তিদের প্রায় অনেকেই ছিলেন সমকামি। শেইক্সপ্রিওর, অস্কারওয়াইল্ড থেকে শুরু করে অনেক রয়েল ফ্যেমিলির নারি পুরুশদের এবং বরতমান কালের অনেক খ্যাতমান ব্যাক্তিদের অনেকেই সমকামি বা কোন না কোন ভাবে সমাকামিওতার সাথে জরিত আছেন এবং যোগাযোগ রয়েছে বলে দেখা যায়। উন্নত দেশগুলোর মত বাংলাদেশ যদিও এখনও সমকামিদের সব সযোগ সুবিধা দিতে পারছেনা, তবে অনেক আগে থেকেই সরকার সমকামিদের সাহায্যে হাত বারিয়েছে। অনেকগুলো শহরেই খুলে দিয়েছে সমকামিদের জন্য (মধুমিথা)হেলথ সেন্টার। যেখানে গেলে পাওয়া যায় নানা রকম যৌন রোগের চিকিতশা, এইচআইভি ও এসটিআই প্রতিরোধ বিষয়ক তথ্য ও শঠিক পরামরশ, কাউন্সিলিং, বিনোদন এবং অন্নান্য সমকামিদের সাথে মেলা মেশার সুযোগ। এটা ইউকের নাজ ফাউন্ডেশানের ১৯৯৬ সালের একটা উদ্দেগেরই সাফল্যতা। ধীরে ধীরে সমকামিওতা ব্যাপারটি খুবই স্বাবাবিকভাবে নেওয়া হবে এবং টাব্বু বলে মনে করা হবেনা তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে তার জন্ন্য আমাদের আরও লরতে হবে। কিন্তু তারও আগে আমাদের নিজেদেরকে নিজেদেরকাছে স্বিকার করে বা মেনে নিতে হবে যে আমরা সমকামি। মহাত্মা গান্দি যেমন বলেছেন - "প্রিথিবিতে যদি পরিবরতন আনতে চাও, তাহলে প্রথমে সেই পরিবরতনটা তুমি নিজের মধ্যে আন"। |
২০০২ সালে, গোজরাটের রাজপিপাল বংশের রাজপুত্র মানভেন্দ্র সিং গোহিল, তিনি একজন সমকামি গোশনা করে প্রিথিবিকে তাক লাগিছিলেন। এমনকি অপরা উইনফেরির অনুস্টানেও তাকে ডাকা হয়, এব্যাপারে ইন্টারভু করার জন্য। পারটি রেসিপি চিকেন সাটে উইত সাটে সস উপকরণ চিনা বাদাম ভেজ়ে গুরা করা ২৫০ গ্রাম পাণি ২ কাপ রসুন বাটা ২ টেবিল চামচ পিয়াজ় বাটা ২ চামচ মরিচ গুরা ৩ চামচ লবণ ৩ চা চামচ চিনি ৫ টেবিল চামচ নারকেলের দুধ আদা কাপ মুরগির মাংস (হার ছারা, কিউব) ৩০০ গ্রাম ধনিয়া গুরা ১ চা চামচ জ়িরা গুরা ১ চা চামচ হলুদ গুরা ১ চা চামচ কাটি ৮টি প্রনালি প্রথমে চুলায় একটি হাড়িতে পাণি ফুটতে দিন। পাণি ফুটলে তাতে চিনা বাদাম গুরা, রসুন বাটা, পিয়াজ বাটা, লবন এবং চিনি দিয়ে ভাল করে নাড়াচাড়া করে নারকেলের দুধ দিয়ে ৮ মিনিট জ্বাল দিতে হবে। তেল উপরে ভেসে উটলে নামিয়ে নিন। এবারে একটি বাটিতে মুরগির মাংস, ধনিয়া গুরা, জিরা গুরা, হলুদ গুরা, লবন, চিনি দিয়ে ভালকরে মাখিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এখন মাখানো মাংস কাটিতে গেথে নিন। আরেকটি বাটিতে লেমন গ্রাস তেল গরম হলে কাটিতে মাখা মাংস এপিট ওপিট বাদামি করে ভেজে তুলুন। এবারে সুন্দর করে একটি বাটিতে সাজ়িয়ে সাটে সসের সাথে পরিবেশন করুন। | 
সরাসরি কথা বলুন Guy's abroad clik here প্রবাশি দেশি ছেলেদের সাথে কথা বলতে এখানে ক্লিক করুন abs@bengayliz.com আপনার লেখা পাটাতে হলে এই ইমেলএ পাটাথে পারেন। প্রকাশকঃ শুদ্ধস্বর (আহমেদুর রশীদ চৌধুরী) ৯১ আজিজ সুপার মার্কেট (৩য় তলা) শাহবাগ, ঢাকা। ফোন : ৯৬৬৬২৪৭, ০১৭১৬৫২৫৯৩৯ 
|